আর কত শোকবার্তা লিখব? আমাদের চিন্তাজগতকে আলোকিত করেন যাঁরা, তাঁরা একে একে চলে যাচ্ছেন। এবার গেলেন দাদাভাইও। মাত্র কয়েকদিন আগে বেগম সুফিয়া কামালের মরদেহ কোথায় কোথায় যাবে এ নিয়ে টিএসসিতে একটি বৈঠক হচ্ছিল। মহিলা পরিষদ থেকে দাবি উঠল দশ মিনিটের জন্য হলেও তাঁকে নিতে হবে মহিলা পরিষদের দপ্তরে। বাংলা একাডেমী থেকে বলা হল, বেগম সুফিয়া কামালের মরদেহ বাংলা একাডেমীতে রাখতে হবে স্বল্প সময়ের জন্য হলেও। দাদাভাই আমার পাশে বসা। তিনি আমাকে বলছিলেন, কচিকাঁচার মেলার জন্মই হয়েছে বেগম সুফিয়া কামালের বাড়িতে। তিনি তারাবাগে থাকতেন তখন। তিনি প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম। কাজেই কচিকাঁচার মেলার অফিসে অবশ্যই তাঁর মরদেহ নিতে হবে। তাঁর সঙ্গে কচিকাঁচার মেলার সম্পর্ক চার দশকেরও অনেক বেশি সময়ের। তাঁর কথাটা আমি বৈঠকে উত্থাপন করলাম। দাদাভাইও চাইলেন একটি ছোট্ট চাওয়া। বেগম সুফিয়া কামালের মরদেহ বহনকারী শকটটি কেবলমাত্র এক দরজা দিয়ে ঢুকবে এবং অন্য দরজা দিয়ে বেরুবে। শুধু এইটুকু সময়। কিন্তু কিছুতেই সময় নির্ধারণ করা যাচ্ছিল না। শেষপর্যন্ত দাবি ছেড়ে দিলেন দাদাভাই।
| বইয়ের নাম | রোকনুজ্জামান খান দাদা ভাই স্মারকগ্রন্থ |
| প্রকাশনী | আগামী প্রকাশনী |
| আইএসবিএন | 984401607x |
| ভাষা | bangla |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | 256 |
| সংস্করণ | 1st Published, 2000 |
| বিভাগ | স্মারকগ্রন্থ ও বিবিধ |
নাবামার্টে অর্ডার, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও রিটার্ন সম্পর্কে।
চূড়ান্ত ডেলিভারি চার্জ চেকআউটে দেখানো হয়।