খটখট শব্দ হলো,বেশ জোরে। সেই শব্দে ঘুম ভাঙে রোমেলের। উঠে এক গ্লাস পানি খায় ও। জানালা বন্ধ আছে। তাহলে শব্দ হলো কেন? কিছুই বুঝতে পারে না রোমেল। যাহোক,কয়টা বেজেছে জানা দরকার। দেওয়াল ঘড়ির দিকে তাকায় রোমেল। কিন্তু সেখানে কোনো ঘড়ি নেই! অদ্ভুত,ঘড়ি গেল কোথায়? ঘড়িটা কোমর দোলাতে দোলাতে রোমেলের কাছে এলো। তারপর বলল,’রোমেল বাবু,নাচবে নাকি’? রোমেল অবাক হয়ে বলল,’ও মা,তুমি কথাও বলতে পারো দেখছি!’ ঘড়ি তখন বলল,’ভূত বলে কি কথা বলার অধিকার নেই?’ ‘ভূত? ভূত বলে তো কিছু নেই’,বলল রোমেল। ঘড়িটা চোখ বড়ো বড়ো করে বলল,’কেন থাকবে না,এই যে আমি,তোমার সামনে দাঁড়িয়ে আছি- ঘড়িভূত।’ রোমেলকে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ঘড়িটা বলল,’কী ব্যাপার,ভয় পেয়ে গেলে নাকি?’ একসময় ভয় কাটিয়ে দুইয়ের গল্প চলে অবিরাম। প্রথম দিন সকালের রুটিনে বিশৃঙ্খলা করলেও রোমেলের পরম বন্ধু হয়ে ওঠে ঘড়িভূত।