আমি খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি
সিজোফ্রেনিয়া রোগীর!
সিজোফ্রেনিয়া রোগীদের মতো আমিও কথা বলি
দেয়ালের সাথে, পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া শালিকের সাথে
আমার হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের মৃত আত্মা
কথা বলি তাদের সাথেও! এমনকি আমার পিতা
মাঝে মাঝে দেখি হাসি হাসি মুখ তিনি এসে
দাঁড়িয়েছেন সম্মুখে আমার। ক্লান্ত আমাকে দেখে
বলছেন তিনি- একটু রেস্ট নাও, যত্ন নাও শরীরের।
শরীরের যত্ন তো নিচ্ছি মোটামুটি! এখনও আঁচড়াই চুল
নখ কাটি, খিদে পেলে করি খোঁজ একজোড়া রুটির।
এখানেই পার্থক্য বটে আমার সাথে সিজোফ্রেনিয়া রোগীর!