দর্শন ও সমসাময়িক দৃশ্যপট
যুগের জঠরে পরিবর্তনের বীজ নিহিত। দার্শনিক চিন্তাধারাতেও এ সত্যেরই প্রতিফলন ঘটেছে। খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের থেলিস থেকে দর্শনের সূচনা হয়েছিল। দর্শনের সূচনা থেকে কাল অতিক্রমের সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হয়েছে। এসব সমস্যার অনেকগুলিই বারবার দর্শনে আলোচিত হয়েছে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে পৃথিবী অতীতে যেখানে ছিল এখন সেখানে নেই। বর্তমান যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলেই চিহ্নিত করা হয়।
বিস্ময়কর সাফল্যের জন্য বিজ্ঞান বিশ্বব্যাপী অভিনন্দিত। অভিনন্দিত এ কারণে, বিজ্ঞানের সাহায্যে মানুষ আজ প্রকৃতিকে প্রায় মুঠোর মধ্যে পুরে ফেলেছে। প্রকৃতির অনেক বিস্ময়কর তথ্যের সম্ভার বিজ্ঞান মানুষের সামনে উপস্থাপন করেছে। বিজ্ঞানের অভিনব আবিষ্কার দূরকে কাছে এনেছে। সারা বিশ্বের মানুষের সঙ্গে মানুষের সেতুবন্ধনের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছে। ফলে বিশ্বের বিচ্ছিন্ন অংশগুলি একটি পূর্ণাঙ্গ সমষ্টির রূপ লাভ করেছে।