মরি গিছি, মুই মরি গিছি বাপুরে! বাঁচাও, মুরে বাঁচাও! চিৎকার দিতে দিতে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে হাবশি যুবক আন্দাজ আলী। তলোয়ার হাতে তার পেছনে পেছনে ছুটছে ইলিয়াস শাহী নওজোয়ান ফারুক মাহমুদ। ফারুক মাহমুদ ছুটছে আর হাঁকছে, দাঁড়াও, দাঁড়াও, আরে এই বুরবক রোখ যাও! কে শোনে কার কথা? আতঙ্কিত আন্দাজ আলী একইভাবে ছুটছে আর আওয়াজ দিচ্ছে, বাঁচাও, মুরে বাঁচাও। মুরে মারি দিলিরে বাবা! বিলকুল মারি দিলি ই বেলা। বিরক্ত হলো ফারুক মাহমুদ। ক্রোধভরে বললো, খামুশ কমবকত! তুমি দৌড়াও কেন? দাঁড়াও বলছি। না দাঁড়ালে সত্যি সত্যিই তোমাকে আমি...! ফারুক মাহমুদ তলোয়ার ঊর্ধ্বমুখী করলো। তা দেখেই মরণ চিৎকার দিয়ে উঠলো আন্দাজ আলী। বলতে লাগলো, হায়রে আল্লাহ, মুরে মারিই দিলি ঠিক ঠিক। ই দুনিয়ায় কি কোন রহমদার কেউ নাই? মুরে বাঁচাতি কেউ তোমরা এলি না রে বাবা!