১৯৮৭ সালে বাশার আল আসাদের স্বৈরাচারী পিতা হাফিজ আল আসাদের হাতে ধরেই প্রতিষ্ঠিত হয় সাইদনায়া কারাগার। পরবর্তীতে এর ভেতরের নির্যাতন, বঞ্চনা এবং মাত্রাতিরিক্ত সংখ্যাধিক্যের কারণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ‘অ্যামনেস্টি ইনটারন্যাশনাল’ এই কারাগারকে ‘আল মাসলাখুল বাশারি’ ( المسلخ البشري) তথা ‘মানবতার কসাইখানা’ নামে আখ্যায়িত করে। ২০০৮ সালের রক্তাক্ত ঘটনার কারণে এটি আস-সিজনুল আহমার (السجن الأحمر) ‘লাল কারাগার’ নামেও পরিচিতি পায়।
যেখানে স্বৈরাচারী আসাদ সরকার অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে নিজ দেশের জনগণকে হত্যা করত। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে গোপনীয় এবং ভয়াবহ স্থানগুলোর অন্যতম, যা ছিল হাজারো সিরীয় পরিবারের মনে গভীর শোক ও আতঙ্কের অপর নাম।
সাইদনায়ার ভয়ার্ত কাহিনীগুলোর যেন অন্ত নেই। সাইদনায়া কারাগারের ভেতরের অধিকাংশ তথ্য-উপাত্ত উঠে এসেছে আসাদ সরকারের পতনের পর মুক্ত বন্দিদের মুখ থেকেই। এছাড়া আসাদ সরকারের পতনের আগে যারা সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরতে পেরেছিলেন, তাদের থেকেও জানা গেছে ভয়াবহতার নির্মম চিত্র। সেসব চিত্র উঠে এসেছে সাইদনায়া কারাগারের জবানবন্দিতে!
| বইয়ের নাম | সাইদনায়া কারাগারের জবানবন্দি |
| লেখক | সাইদনায়া কারাগারে বন্দী এবং নিখোঁজদের সংগঠন |
| প্রকাশনী | ইনসাফ পাবলিকেশন |
| আইএসবিএন | 9789849875857 |
| ভাষা | বাংলা |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | 128 |
| সংস্করণ | 1st editon, 2025 |
| বিভাগ | International Politics |
নাবামার্টে অর্ডার, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও রিটার্ন সম্পর্কে।
চূড়ান্ত ডেলিভারি চার্জ চেকআউটে দেখানো হয়।