অভ্যস্ত জীবনের মতো প্রবল প্রতিপক্ষ মানুষের জীবনে দ্বিতীয়টি নেই। প্রতিদিনের এই অভ্যস্ততা অনেক অমৃত আর আমাদের মাঝে সৃষ্টি করে দুর্ভেদ্য পর্দা। নিত্যদিনের এসব লঘুতায় হারিয়ে ফেলি সুধাতুল্য অনেক অভিজ্ঞতা। আখাউড়া-মেহেরপুর ক্রস কান্ট্রি রাইডের কদিন বাদেই আরও একটা ক্রস কান্ট্রি রাইডে যাওয়া সাব্যস্ত করে রেখেছিলাম। অভ্যস্ত জীবনের অভেদ্য পর্দা আর চাকরির শেকল- দুইয়ে মিলে প্রাণ ওষ্ঠাগত। সোপকেস লাইফের একেবারে আদর্শ উদাহরণ! রাইডে উদ্ভূত হাহাকার দূর করতে ভ্রমণসাহিত্য পড়ায় মনোযোগ দিলাম। সত্যিকারের ভ্রমণ না হোক, মানসভ্রমণ করে হলেও দুঃখ কিছুটা প্রশমিত হোক। এদিকে সাকিব ক্রমাগত তাগাদা দিয়ে যাচ্ছিল রাইডের জন্য। পেশাগত ব্যস্ততায় তখন আমার ফুরসত মেলাই ভার। ‘এ মাসে তো হচ্ছে না, সামনের মাসে দেখি’, ‘এই শীতেই যাব এ ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাক’- সাকিবকে ক্রমাগত এগুলো বলে সময় পেছানো ছাড়া গত্যন্তর ছিল না। জীবনের ক্যালেন্ডারে নীরস মৃত দিনের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কিন্তু নিজের কর্মক্ষেত্রের বাইরেও একটা গোটা দুনিয়া