ফিকহুস সালাত
যেসকল ইবাদতের মাধ্যমে বান্দা তার রবের সবচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয় তার অন্যতম হচ্ছে সালাত। সালাত ইসলামের দ্বিতীয় রুকন বা স্তম্ভ। কুরআন কারীম ও হাদীসে অসংখ্য বার সালাত আদায়ের ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি মৃত্যুশয্যায় রাসূলুল্লাহ সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মাহকে সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন। এটি এমন একটি ইবাদত যা ত্যাগ করা কুফরী করার নামান্তর।
একজন মুসলিমের জন্য ঈমান গ্রহণের পরই সালাত কায়েম করা প্রথম ফরয। তাই সালাত কীভাবে কোথায় কখন আদায় করতে হবে,তা জানা প্রতিটি মুমিনের জন্য অত্যাবশ্যক। আর এগুলো জানার জন্য “ফিকহুস সালাত” বইটি হতে পারে তার জন্য সবচেয়ে বড়ো সহায়ক। কারণ পুস্তিকাটিতে সালাতের যাবতীয় বিধি-বিধান কুরআন-সুন্নাহ ও সালাফদের কিতাবের আলোকে অত্যন্ত সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সালাত আদায়ের পদ্ধতি,সালাতে যা পড়তে হয় এবং সালাত সংক্রান্ত জরুরি ও আধুনিক মাসায়েল সঠিক ও নির্ভরযোগ্য শার‘ঈ দলীল ও প্রমাণের আলোকে প্রদান করা হয়েছে।
আশা করি,পাঠকগণ শুদ্ধভাবে সালাত আদায়ে বইটির দ্বারা উপকৃত হবেন,ইন শা আল্লাহ।
ফিকহুত তাহারাত
মুসলিম জীবনের সাথে তাহারাত তথা পবিত্রতা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। কেননা তাহারাত ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ সালাতেরই পূর্বশর্ত। সেজন্য ইসলাম প্রত্যেক সালাতের জন্য তাহারাত অর্জনের বিধান অপরিহার্য করে দিয়েছে। পবিত্রতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি দৈনন্দিন স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় তাহারাতের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই প্রাপ্ত বয়স্ক সকল মুসলিমের জন্য যেসব বিষয়ে জ্ঞানার্জন করা ফরয, তন্মধ্যে তাহারাত অন্যতম। তাহারাত অর্জনে একদিকে পবিত্রতা ভঙ্গকারী হাদাস, নাজাসাত, মল-মূত্র ত্যাগ, হায়িয-নিফাস সম্পর্কে যেমন জানা প্রয়োজন, তেমনি পবিত্রতা অর্জনের উপায় তথা ইসতিনজা, অযূ, গোসল ও তায়াম্মুম সম্পর্কেও জানা আবশ্যক। এ ছোট্ট পুস্তিকায় এসব বিষয়ে বিস্তারিত বিধিবিধান ও মাসায়েল দলীলের আলোকে ও সহজবোধ্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আশা করি মুসলিম মাত্রই প্রত্যেকে এর দ্বারা উপকৃত হবেন।