মানুষ ও আদিমতার ভাষা ছিল সুর ও ছন্দ। অর্থাৎ সাহিত্যের প্রাচীন যাত্রা কাব্যময় ভাষার মধ্য দিয়ে। তাই কবি ও কবিতা এত সংবেদনশীল।
কবিতা আত্মার সঙ্গে আত্মার খেলা। কবিরাই কেবল উন্মোচন করেন আপন আত্মাকে, ইন্দ্রিয়ের অতীন্দ্র সত্ত্বাকে। ফলে কবিতায় জীবনের চেয়ে শিল্প বড় হয়ে ওঠে। যা প্রেম ও প্রাণবিন্দু থেকে দেখতে শেখায়। দেখতে দেখতে দ্বৈতসত্ত্বা, হারিয়ে ফেলা স্মৃতি, অভিমান, জৈবিক ও মনোদৈহিক টানা পোড়েন যার ফলাফল একাকিত্ব বোধ- যা পক্ষান্তরে নিজেকে নিঃসঙ্গতার মুখোমুখি বসিয়ে দেয়। আর এই নিঃসঙ্গতা শূন্যতার খোঁজ দেয় এবং মানুষ আজ অবধি শূন্যতার সন্ধান করে চলছে।