নামাজে কোথায় কী ভুল করি
ঈমানের পরে সবচে’ গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হচ্ছে নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজকে মুমিন ও কাফেরের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়কারীরূপে সাব্যস্ত করেছেন।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য-আমাদের অনেকেই নামাজের প্রতি চরম উদাসীন বিধায় তা দায়সারাভাবে আদায় করে থাকে। এ উদাসীনতার ফলেই নামাজে বিভিন্ন ভুলত্রুটির সৃষ্টি হয়। কিছু ভুল তো এমন, যার দরুন নামাজ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আবার কিছু ভুলের কারণে নামাজ সম্পূর্ণ নষ্ট না হলেও ত্রুটিযুক্ত হয়ে পড়ে। এ ত্রুটি সংশোধনে শরিয়ত ‘সিজদা সাহু’র বিধান আরোপ করেছে, যা অনেকেরই অজানা। অধিকন্তু আমাদের সমাজে নামাজের ব্যাপারে বিভিন্ন কুসংস্কার ও ভুলের প্রচলন রয়েছে, যা থেকে বিরত থাকা প্রত্যেক মুসল্লির জন্য অপরিহার্য।
এই বইটি ঠিক এমন সব ভুল নিরসন করবে। ২৬০ এরও অধিক মাসআলার ডালি দিয়ে সাজানো হয়েছে বইটি। অতএব, নামাজের নানা ভুল-ভ্রান্তি থেকে বাঁচতে বইটি কতটা উপকারী ও ফলপ্রসূ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
লজ্জা
‘লজ্জা ও ঈমান ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যদি একটি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে অপরটিও হারিয়ে যায়।’
—রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
লজ্জা, আরবীতে বলে ‘হায়া’। এই লজ্জা নারী-পুরুষ সবার জন্য। এ এমন এক লজ্জা, যা শুধু বিপরীত লিঙ্গের প্রতি নয়, ঘরের চার দেওয়ালে বসে থাকলেও অন্তরে কাজ করে। রবের প্রতি, ফেরেশতাদের প্রতি, নিজের প্রতি, মানুষদের প্রতি লজ্জা। লজ্জার এই শাখাগুলো ব্যক্তিকে শুধু নির্লজ্জতা থেকেই দূরে রাখে না, বানায় খাঁটি মুমিন, মুত্তাকী বান্দা। অলসতা ঝেড়ে ফেলে ব্যক্তিকে উদ্বুদ্ধ করে নেককার, সালেহ হতে। বেখেয়ালি, লক্ষ্যহীন জীবনকে করে আখিরাত-মুখী। স্রোতে ভেসে যাওয়া চরিত্রকে আনে নিষ্কলুষ জমিনে। শক্ত হৃদয়ে জাগায় পবিত্র স্পন্দন।
ইসলামে লজ্জা বলতে কী বোঝায়, লজ্জার ধরণ-প্রকারগুলো কী কী, কোন কোন ক্ষেত্রে লজ্জা প্রশংসনীয় এবং কোন ক্ষেত্রে নিন্দনীয়, আমাদের পূর্বসূরিগণ কেমন লজ্জার চর্চা করতেন, কীভাবে হারানো লজ্জা পুনরায় অর্জন করা যায়—মোট কথা লজ্জার নান্দনিক দিক আলোচনা করা হয়েছে এই বইতে।
বেহায়াপনায় তলিয়ে যাওয়া জাতিকে উদ্ধার করতে এবং একটি পবিত্র জাতি বিনির্মাণে বইটি অকৃত্রিম ভূমিকা রাখবে ইনশা আল্লাহ।
খারাপ মৃত্যু
মৃত্যু মানেই শেষ নয়, বরং এক অন্তহীন যাত্রার শুরু। কিন্তু সেই যাত্রার সূচনা যদি হয় ‘খারাপ মৃত্যু’ দিয়ে? যখন শয়তান শেষ মুহূর্তে ঈমান কেড়ে নিতে চায়, যখন জবান কালিমার বদলে গানে মত্ত হয়, কিংবা কবর যখন লাশ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়—তখনকার সেই ভয়াবহতা কল্পনা করেছেন কখনও?
এই বইটিতে খারাপ মৃত্যুর স্বরূপ, এর নেপথ্যের কারণ এবং শিউরে ওঠা কিছু বাস্তব ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। পরকালের কঠিন মঞ্জিলগুলোতে কণ্টকাকীর্ণ পথ এড়াতে এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দা হিসেবে বিদায় নিতে চাইলে এই বইটি আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। আজই জানুন, কীভাবে বাঁচবেন এই অশুভ সমাপ্তি থেকে।