এহ, রোখো-রোখো'- 'এই সামাল-সামাল'- দুইদিক থেকে দুই আওয়াজ। মুখোমুখী আওয়াজ। প্রথম আওয়াজ 'এই রোখো-রোখো'। এই প্রথম আওয়াজ দিলেন এক পালকির পাহারাদার সৈন্যদের অধিনায়ক। দ্বিতীয় আওয়াজ 'এই সামাল-সামাল'। এই দ্বিতীয় আওয়াজ দিলেন দুইজন অশ্বারোহীর মধ্যের এক অশ্বারোহী। এক পালকি যাচ্ছে চার বেহারার কাঁধে। পালকির পাহারায় আছেন কয়েকজন সৈনিক। এই সৈনিকদের অধিনায়ক অর্থাৎ প্রধান সৈনিক বেহারাদের উদ্দেশ্য করে হাঁক দিলেন-'এই রোখো রোখো'। তাঁর হাঁকে থেমে গেল পালকি। পালকি থেমে যেতেই পালকির ভেতর থেকে এক তরুণী কণ্ঠের আওয়াজ এলো, কি হলো চাচা? পালকি থামালেন কেন? সৈনিক প্রধান বললেন, কোন বিশেষ কারণে নয় আম্মাজান। রাস্তার মোড় ঘুরে আসার দরুন তাঁরা দেখতে পাননি আমাদের। তাই ঘোড়া ছুটিয়ে দ্রুত এসে হঠাৎ করেই আমাদের পালকির মুখোমুখী হয়ে গেছেন।