সুখময় জীবনের সন্ধানে
ডিপ্রেশন, আরও তীব্র হতাশা বয়ে আনছে! পুঁজিবাদ, বস্তুবাদ, অতি চাহিদা—আমাদের বেঁচে থাকাকে নিত্যই করে তুলছে কঠিন থেকে কঠিনতর! চারদিকে বাড়ছে সুইসাইড, মার্ডার, ডিপ্রেশন! আমরা প্রাণপনে এখন মুক্তি চাই—আধুনিক জীবনের এইসব নানামুখী জটিলতা থেকে! আমরা উপভোগ করতে চাই, আল্লাহর দেওয়া শ্রেষ্ঠ নিয়ামত—আমাদের জীবনকে।
আমরা হন্যে হয়ে পথ খুঁজছি মুক্তির! দিশা খুঁজছি সিরাতুল মুস্তাকিম—সহজ সুন্দর একটা পথের! কিন্তু একবার চোখ খুলে দেখছি না, নবিজির পূর্ণাঙ্গ পবিত্র জীবন! যে জীবনের দিকে তাকালেই মিলে যেত আমাদের মুক্তি!
Enjoy Your Life | সুখময় জীবনের সন্ধানে—পৃথিবীবিখ্যাত এক সিরাত পেসক্রিপশন। নবিজীবনের আলোকে আমাদের জীবনের সমস্ত সমস্যা সমাধানের জন্য সবচেয়ে গোছানো ও সুন্দর পাথেয় দিয়ে ভরপুর এক বই। গত কয়েকবছরে পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ কপি বিক্রি হয়েছে এ বই। অসংখ্য মানুষের জীবন আমূল বদলে দিয়ে, তাদের ফিরিয়ে এনেছে চুড়ান্ত হতাশার দ্বারপ্রান্ত থেকে।
জীবনের বাঁকে বাঁকে আমরা সবসময়ই নানাবিধ সংকট ও জটিলতার মুখোমুখি হই। আমাদের জীবনে কষ্ট ও বিপদ যেমন সত্য, তেমনি আছে আল্লাহর মহান এক অনুগ্রহ—‘তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না’-এর মত আশার বাণী।
আল্লাহর রহমত হয়ে আমাদের জন্য পৃথিবীতে এসেছিলেন হজরত মুহাম্মদ সা.। তারই পূর্ণ জীবন ও চরিত্রের আলোকে লিখা হয়েছে এই গ্রন্থ। যেন বেদনায় নুয়ে পড়া মানুষ খুঁজে পেতে পারে নবিজির জীবন থেকে সত্য পথের দিশা। জীবনের নানাবিধ সংকট ও ক্লান্তিতে বিপদগ্রস্থ মানুষ শান্তির খোঁজে, মুক্তির খোঁজে আশ্রয় নিতে পারে নবিজীবনের বাঁকে বাঁকে।
আরব বিশ্বের প্রখ্যাত দায়ি ও লেখক ড. শায়খ মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আরিফী লিখিত ‘সুখময় জীবনের সন্ধানে’ সিরাত, সাহাবায়ে কেরাম ও বুজুর্গানের দীনের জীবনের সারনির্যাস থেকে রচিত। একজন মুসলিমের সমগ্র জীবনের জন্য সবচেয়ে সুন্দর ও গোছানো এক পেসক্রিপশন এই গ্রন্থ!
মেঘে ঢাকা সুন্নাত
মাথায় টুপি পরে কি ধোঁকা দিচ্ছেন কাউকে? মুখে দাড়ি রেখে মিথ্যা কথা কি আপনি ছাড়তে পারেননি? জোব্বা ঠিক রেখেই কি কারও খেতের আইল ঠেলছেন নির্বিকার?
যে টুপি, দাড়ি আর জোব্বা পরেছেন সুন্নাত ভেবে, যে আতর-সুরমা ও মেসওয়াক ব্যবহার করেন সুন্নাত বিবেচনায়—সেই আপনি কি ধোঁকা না দেওয়াকে সুন্নাত ভাবছেন না? মিথ্যা না বলাকে কি গণ্য করছেন না সুন্নাত হিসেবে? অন্যায়ভাবে কারও খেতের আইল না ঠেলাই যে রাসুলের আদর্শ ও সুন্নাত, তা কি আপনার অনুভূতিতেই আসে না?
নিজের অজান্তেই আমরা সুন্নাতকে করে ফেলেছি প্রথা। কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে আমরা আবদ্ধ করে ফেলেছি সুন্নাতকে। দেখতে পাওয়া কিছু মাত্র পালনীয় বিষয়কে বানিয়েছি সুন্নাতের গৎবাঁধা সীমানা। রাসুলজীবনের অসংখ্য জীবনময় সুন্নাতকে আমরা ঢেকে ফেলেছি ঘনঘোর মেঘে। ‘মেঘে ঢাকা সুন্নাত’ সেই ভুলে-যাওয়া সুন্নাতের অনুসন্ধান জানাবে। ‘মেঘে ঢাকা সুন্নাত’ কিছু ধ্রুব ও অনিবার্য সুন্নাতের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ।
‘মেঘে ঢাকা সুন্নাত’ মেঘমাখা আকাশের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসা জোছনা রাতের উজ্জ্বল চাঁদের মতো আপনাকে পথ দেখাবে। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে যে সুন্নাতগুলো মানা অনিবার্যভাবে প্রয়োজন, অথচ মানি না আমরা, সেগুলোকে চেখে আঙুল দিয়ে দেখাবে আপনাকে। তুলে ধরবে সুন্নাতের গূঢ় ও নববি বিশ্লেষণ। আপনি খুঁজে পাবেন অনেক মেঘে ঢাকা সুন্নাত। জানবেন—রাসুলের জীবনময় কোন সুন্নাতগুলো ছিল অনিবার্য। চিরায়ত সময়ের অনিবার্য পাঠ হওয়ার মতো পাঠ্য ‘মেঘে ঢাকা সুন্নাত’।
খুতুবাতে মাদরাসঃ মুহাম্মদ সা. দি গ্রেটেস্ট
খুতুবাতে মাদরাস- সীরাতুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়ক একগুচ্ছ স্মারক-বক্তৃতা। এখন থেকে প্রায় এক শ বছর আগে প্রদত্ত এই বক্তৃতাগুলো এখনো বিশ্বময় সমান আবেদনপূর্ণ । ১৯২৫ সালের অক্টোবর- নভেম্বরে যখন বক্তৃতাগুলো প্রদত্ত হয় তখন বিদ্বান মহলে বিপুল সাড়া ফেলে। মূল উর্দুর পাশাপাশি এর ইংরেজি অনুবাদ ছড়িয়ে পড়ে দুনিয়াব্যাপী। মুসলমানদের মতোই গভীর আগ্রহ শ্রদ্ধা ও মনোযোগসহ পঠিত হয় অমুসলিম সমাজে। অল্প সময়ের মধ্যে পৃথিবীর মর্যাদাশীল বিভিন্ন ভাশায় অনূদিত হয়। গবেষক চিন্তক ও বিদ্বান সমাজে বরিত হতে থাকে রেফারেন্সগ্রন্থ হিসেবে! আলহামদুলিল্লাহ এবার বইটির বাংলা অনুবাদ এলো রাহনুমা প্রকাশনীর হাত ধরে।