‘শিশুশ্রম’শব্দটি শোনার সাথে সাথেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে অতি পরিচিত কিছু দৃশ্য। ব্যস্ত সড়কের ট্রাফিক সিগন্যালে ফুল ও মালা হাতে দৌঁড়ে আসা, টেম্পু বা চলন্ত বাসের দরজায় ঝুলে থাকা কিংবা ওয়েল্ডিং কারখানা ও গাড়ির ওয়ার্কশপে ধুলাবালি আর কালিমাখা পোষাকে শিশু-কিশোরের কর্মব্যস্ততা। শ্রমে নিয়োজিত এই শিশুরা আমাদের সমাজেরই অংশ। তাদেরকে শ্রমসাধ্য কাজ থেকে ফিরিয়ে আনা জরুরি। শিশুশ্রম নিরসনে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক পর্যায়ে সমন্বিতভাবে কাজের প্রয়োজন খুব বেশি।
শিশুশ্রমের ধরন, বয়স ও অধিকার নিয়ে সুনির্দিষ্ট আইন, নীতিমালা ও বেশকিছু আন্তর্জাতিক সনদ রয়েছে। এ সকল বিষয় সম্পর্কে নিজে জানা এবং শিশু-কিশোরদের জানানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে আমাদের চারপাশে শ্রমে নিয়োজিত শিশুদের শ্রম থেকে প্রত্যাহার করা সম্ভব হবে এবং শ্রমে নিয়োগদাতাদেরও সচেতন করা যাবে।
সমন্বিতভাবে শিশুশ্রম এবং ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে একটি সামাজিক মূল্যবোধ তৈরি হবে এই অনুপ্রেরণায় লেখক ‘শিশুশ্রম নিরসন’বইটি লিখেছেন। বইটিতে শিশুশ্রম সম্পর্কিত দেশীয় আইন ও নীতির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সনদসমূহও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।