সাধারণ অর্থে সংবিধান হলো কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন পরিচালনার মৌল নীতিমালা। রাজনৈতিক পরিভাষায় সংবিধান হলো রাষ্ট্রের মৌল আইন। সংবিধানে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংগঠন পরিচালনার মৌলিক নীতিমালা লিপিবদ্ধ থাকে। সরকারের ক্ষমতা ও দায়িত্ব, জনগণের মৌলিক অধিকার, সরকার পদ্ধতি, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান কীভাবে পরিচালিত হবে ইত্যাদি বিষয় সংবিধানে উল্লেখ থাকে। সংবিধানকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন বলে গণ্য করা হয়। এর পরিপন্থী কোনো আইন প্রণীত হতে পারে না। লিখিত বা অলিখিত, এ বিবেচনায় সংবিধানকে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। অধিকাংশ দেশের সংবিধানই লিখিত ও গ্রন্থযুক্ত। আবার সংবিধান অলিখিতও হয়। এরূপ সংবিধানে কিছু মৌলিক আইন, প্রথা, পূর্ব নজির ইত্যাদিকে সংবিধানের মতোই গণ্য করা হয়। সংবিধান পরিবর্তন পদ্ধতির ভিন্নতার আলোকেও সংবিধানকে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। যেসব সংবিধান সাধারণ আইনের মতোই আইনসভা পরিবর্তন করতে পারে, সেগুলো সুপরিবর্তনীয়। যেসব সংবিধান সংশোধন করতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন হয়, আইনসভা সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠেরও মতামতের ভিত্তিতে পরিবর্তন করতে পারে না,