চুরি করুন শিল্পীর মতো
চুরি করুন শিল্পীর মতো বইটিতে আছে জীবন-বদলে-দেওয়া ১০টা নিয়ম। নিয়মগুলো আপনার ভেতরের শিল্পীকে জাগিয়ে তুলবে। জীবনকে রাঙিয়ে তুলবে নতুন রঙে, আরও ক্রিয়েটিভ করে।
একেবারে মৌলিক বলে দুনিয়ায় আসলে কিছু নেই। অন্যের কাজ থেকে শেখা, তাদের প্রভাবকে আপন করে নেওয়া—এটা স্বাভাবিক। অন্যের কাজগুলো ঘাঁটুন, নতুন করে ভাবুন, নিজের মতো করে সাজান। দেখবেন, নিজের রাস্তাটা পেয়ে গেছেন।
আজ যাকে নিছক শখ ভাবছেন, কাল হয়তো সেটাই হয়ে উঠবে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় কাজ।
'যা জানেন, তা নিয়ে লিখুন'—পুরোনো এই বস্তাপচা কথা ভুলে যান। বরং, যে বইটা আপনি নিজে পড়তে চান, সেটাই লিখুন। যে সিনেমাটা দেখতে মন চায়, সেটাই বানিয়ে ফেলুন।
রোজকার সাদামাটা জীবনে একটু 'বোরিং' হওয়ার ঝুঁকি নিন। নিজের কল্পনা আর কাজের জগতে আপনি হয়ে উঠবেন দুর্দান্ত।
নিজের ঢোল পেটান
একা-একা 'সব' হওয়ার চেয়ে নিজের কাজ নিয়ে উদার হওয়ার জোর অনেক বেশি। লেগে থাকুন বইয়ের আলাপ ছিল এটাই। আর কীভাবে মানুষের চোখে পড়বেন, কীভাবে স্রেফ 'নেটওয়ার্কিং'-এ সময় নষ্ট না-করে চেনা জগৎটাকে কাজে লাগাবেন—সেই পথ বাতলে দেয় এই বই।
এটা কিন্তু নিজের ঢোল পেটানোর বিষয় না, নিজেকে চেনানোর গল্প। নিজের কাজের জগতে অন্যদের আসতে দিন। এরপর তাদের সুযোগ দিন আপনার আইডিয়া চুরি করার!
ছবি, উক্তি, গল্প আর নানা নজিরে সাজানো এই বই। উদার মনের সাহসী আর করিতকর্মা মানুষ হয়ে ওঠার ১০টা দারুণ নিয়ম পাবেন এখানে।
লেগে থাকুন
ক্রিয়েটিভ কাজ কোনো রেইস না যে, প্রতিদিন এক জায়গা থেকে শুরু করে শেষ করলেন আরেক জায়গায়। এটা একটা অগোছালো পথ।
নিজের সাথে কানেক্টেড হতে দুনিয়া থেকে একটু ডিসকানেক্টেড হোন। মাঝে মাঝে নিজেকে এয়ারপ্লেন মোডে রাখুন।
বইটা আপনাকে ঘরের বাইরে টেনে নেবে, হাঁটতে বলবে।
চোখ-কান খোলা রাখুন। খেয়াল করুন কোথায় মনোযোগ দিচ্ছেন।
কর্মময় জীবন যারা লম্বা করতে চান, লেগে থাকুন বইটির নিয়মগুলো তাদের জন্যই।