সমাজ অনেকগুলো স্বরের সমন্বয়ে গঠিত। যার প্রতিটি স্বরে থাকে যেমন ভিন্নতা তেমনি থাকে বৈচিত্র্য। আবার কখনো একটি স্বর হয়ে ওঠে একটি শ্রেণির সমস্বর বা প্রতিলিপি।
আর এর সাথেই উঠে আসে সমাজের ভিন্ন ভিন্ন চেহারা। সমাজে যেমন রয়েছে শ্রেণিবৈষম্য তেমনি রয়েছে শ্রেণি সংঘাত; রয়েছে অবদমনের সংস্কৃতির মতো মানসিক বৈকল্য।
যার কোনোটা আবহমানকাল ধরে চলে আসছে ভাবনার শিকড় হিসেবে আবার কোনোটা আঁছড়ে পড়েছে সময়ের ঢেউয়ে।
এই সমাজই আবার কখনো সমাজবদ্ধ মানবের জন্য খুলে দেয় নতুন দ্বার মুক্ত আলোবাতাস প্রবেশের। আবার কখনো তাকে জটিল করে তোলে পক্ষপাতের শিকলে যাতে নতুন চেতনার অনুপ্রবেশ না ঘটে। এই আবর্তেই হতাশা আর না পারার আড়ালে মানুষ খোঁজে বেঁচে থাকার সান্ত্বনা। এমনি ভিন্নতায় চরিত্রায়ণ করা হয়েছে 'শৃঙ্খলের কূটসুখ' বইয়ের দশটি গল্প।
যেখানে কোথাও কোনো চরিত্র জাদুবাস্তবতা বা পরাবাস্তবতার ছায়ায় বলে ফেলে অবচেতনের অতলে হারানো কথাগুলো যা আলোতে প্রকাশে বাধে ব্যক্তিসত্তায়।