ফ্ল্যাপে লিখা কথা
কোনো কোনো কবিতা হয়তো মনের মধ্যে রচিত হয় বহুদিন ধরে, কোনো-কোনোটি আবার মুহূর্তের বিদুৎঝলকের মতো অকস্মাৎ, কিন্তু এই দুই রকম লেখাই তৈরি হয় অবচেতনের আচ্ছন্নতায়, কোনো বিষয় বা বোধ, কোনো বিশেষ বা অনির্দিষ্ট , যা-ই হোক না কেন, তা-ই যখন মূর্তি পায়, হয়ে ওঠে শরীর, তখন তার মধ্যেই খুঁজতে হয় কবিতার আত্ম; কীভাবে মনের ভেতর এই সৃষ্টি প্রক্রিয়ার উদ্ভব হয়, নেমে আসে এই জলপ্রপাত, তা সম্পূর্ণরূপে স্পষ্ট করার উপায় নেই, শুধু এটুকু বলা যায়, এই কবিতাগুলোর মধ্যে অনুভব করতে পারি সেই অবগাহনের গন্ধ ও শিহরন, বোঝা যায়, একটি নতুনতর বোধ ও আলোড়ন তাড়িত করে কবিকে, এই জীবন চতুস্পাশ্র্ব, সমাজ, তার অভিঘাত, দ্বন্দ্ব, জীবনসংগ্রাম ও বিচ্ছিন্নতার পাশাপাশি আরও একটি সত্য উদঘাটনে মনোযোগী হতে দেখি, নিশ্চিতভাবেই অনুধাবন করেন কামও জীবনের এক গভীর সত্য, যদিও এটিই প্রাণীজগতের আদি প্রেরণা, তবুও কবিতাগুলোতে স্বাভাবিকভাবেই যুক্ত হয় নতুন মাত্রা, যেন এক মাতাল আহ্বান, শরীর ও শরীরহীনতার গন্ধে, কামে, প্রেমে, আধ্যাত্মিকতায় যেন আরও পরিশুদ্ধ ও পবিত্র, যেখানে নিজেকেই আরও উন্মেচিত করার প্রয়াস, পরিণত আবেগে ভিন্নভাবে উপলব্ধি করার আকুতি, এ যেন ক্রমাগত নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার একটি নির্জন, নিঃশব্দ প্রচেষ্টা, যেখা প্রেম আরও শরীরী হয়ে ওঠে, শরীর আরও শরীরহীনতার সৌরভে পূর্ণ ও প্রস্ফুটিত হয়।
সূচিপত্র
* তোমার চলে যাওয়ার পর
* ঘুম আর স্বপ্নের মহড়া
* কষ্ট হয়
* তুমি দরজা নাও খুলতে পারো
* প্রকৃতিরহস্য
* চুক্তিপত্র
* আমি কাকে বলবো
* চে, তোমার জন্য ভালোবাসা
* কোথাও থাকবো না
* তোমাকে ছাড়বো না
* ভালোবাসার মেঘবৃষ্টি
* কোনো আঘাতই কেউ বেশিদিন মনে রাখে না
* এই অক্ষর-অরণ্যে
* বাড়ি
* ভূ-বিজ্ঞান
* তোমাকে একবার চুম্বনের জন্য এই দীর্ঘ
* প্রস্তুতি
* প্রেমসূত্র
* পতন
* অধরা
* আমার জন্মদিন
* আমার গল্প
* কবির দুপুর
* বৈশাখ এই বাংলার হৃদয়ে-ফোটা চৈত্রের ফুল
* আমার এতো বর্ষা
* শাদা মেঘের হাতের লেখা
* বার্মিংহামে বৃষ্টি
* শ্রুতি
* সেই কাহিনী
* হেমন্তের ছয় ছত্র
* তোমার কাছে বর্ষা চেয়ে কী হবে
* তোমরা যখন কারো ভাতের থালা উপুড় করে ফেলো
* আমার সব কথা মিথ্যা
* হাত ছেড়ে দাও সঙ্গে যাবো
* টেমসের উন্মাদিনী
* শর্ত
* দস্তখত
* সবাই তোমাকে মিথ্যা বলেছে