বর্তমান বিশ্ব পেক্ষাপটে মানব সমাজের সাথে সম্পর্কিত নানাবিধ সমস্যা ও তার সমাধানের ক্ষেত্রে অর্থনীতি এক বিরাট ভূমিকা পালন করে চলছে। বিশেষ করে, সামাজিক ন্যায়বিচার ও সামাজিক কল্যাণের মতো বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে।
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলোচিত বিষয়, যেমন নারী অধিকার, মানবাধিকার এবং বিভিন্ন প্রকার সামাজিক ন্যায়বিচার ও সামাজিক পদ্ধতির সাথে অর্থনীতি নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। কারণ, বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায়, যারা বিশ্ব অর্থনীতির চালিকা শক্তি, যেমন: বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এরা বর্তমানে যে নীতিতে চলতে তার বাস্তবায়ন ও সমাধান করে থাকে এবং এসব সংস্থাগুলো প্রতিনিয়ত নানাবিধ সমস্যা এবং অদক্ষতার মোকাবিলা করে অগ্রগতির দিকে এগুচ্ছে।
এ দৃষ্টিকোণ থেকে অনেক লোক ইসলামিক অর্থব্যবস্থা অধ্যয়ন করছে এবং তুলনামূলক অধ্যয়নও করছে। ইসলামি অর্থব্যবস্থার মৌলিক একটি বৈশিষ্ট্য যে, সুদমুক্ত অর্থব্যবস্থার বর্তমান প্রেক্ষাপটে সমাজের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা এবং এর বাস্তবায়ন আদৌ সম্ভব কিনা, তাও ভাবতে শুরু করেছে। এমতাবস্থায় ডা. জাকির নায়েক অত্র গ্রন্থে কুরআনের আলোকে সুদমুক্ত অর্থনীতি বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি মূলত প্রথমে ইসলামি অর্থব্যবস্থার মৌলিক নীতির ওপর আলোচনা করেছেন এবং পরিশেষে এর বাস্তবায়ন সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। প্রশ্নগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, সুদ নেয়ার মত সুদ দেয়াও কি হারাম কিনা? কারেন্ট অ্যাকাউন্ট কি সুদের সাথে জড়িত? আমাদের কোন ধরণের ব্যাংকে লেনদেন বা চাকরি করা উচিত? ইসলামে কি ইন্সুরেন্স বৈধ? বিশেষ করে লাইফ ইন্সুরেন্স? যদি এটা ইসলামে বৈধ না হয় তবে অন্য কোন বিকল্প ব্যবস্থা আছে কি?