তাসাওউফ ও আত্মশুদ্ধি:
তাসাওউফ বা আত্মশুদ্ধি, মুমিন জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ। আত্মিক উন্নতি ছাড়া মুমিন নিজেকে নফসের ধোঁকা থেকে, শয়তানের কবজা থেকে হেফাজত রাখতে পারে না। মুমিনের আত্মিক উন্নতির এ মাধ্যমই হলো ‘তাসাওউফ’ বা ‘আত্মশুদ্ধি’। . নফসের বিরুদ্ধে লড়াই করে জিততে পারলেই একজন মানুষ মুমিন হিসেবে নিজেকে রবের সামনে উপস্থাপন করতে পারবে, রবের পক্ষ থেকে মুক্তির আশা রাখতে পারবে। অন্যথায় শয়তান এবং নফসের আধিপত্য তাকে জাহান্নামের গর্তে নিক্ষেপ করবে। চিরসুখ থেকে বিমুখ করে দুর্দশাগ্রস্ত করবে। . অন্তরের সেসব ব্যাধি এবং তার চিকিৎসা নিয়েই রচিত এ বইটি। শাইখুল ইসলাম মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি সাহেব দামাত বারকাতুহুম রচিত এ গ্রন্থটি মানুষের দিলের সেসব রোগ এবং ব্যাধি দূরের প্রক্রিয়া ও মাধ্যম জানাবে। বইটির পাঠ মানস মনে শুদ্ধির ঝড় তুলুক এবং এবং শয়তানের কুমন্ত্রণা, নফসের গোলামি থেকে হেফাজত করুক।
সুখের সমীকরণ:
যুগ পেরিয়েছে, শতাব্দী পেরিয়েছে, পেরিয়েছে মহাকাল; কারেন্সির ভাষা হয়ে উঠেছে সফলতার ভাষা, ক্যারিয়ারের ভাষা। আর এই কারেন্সির কাছে মানুষ ভুলে গেছে তার লাইফের আল্টিমেট কারেন্সির কথা। কারেন্সি দিয়ে মানুষ কিনতে চেয়েছে সব। কিন্তু সুখ? যার জন্য তার এতোকিছু, সেই সুখটাই রয়ে গেছে অধরা। অ্যারিস্টটল যাকে মানব জীবনের আসল অস্তিত্ব বলেছিলেন, সেই সুখ, হ্যাপিনেস নামক অনুভূতুটি মানুষ সোনার হরিণের মতো খুঁজে ফিরছে কেবল। না পেয়ে সফলতার শীর্ষে পৌঁছে, সবচেয়ে বেশি ধনী হয়ে, সে ঘোষণা করেছে—”মানি কান্ট বাই হ্যাপিনেস!” কারেন্সি দিয়ে সে সব কিনতে পারেনি, কিন্তু আল্টিমেট কারেন্সি যে সুখ, সেটা আর্ন করলে মানুষ কিনতে পারতো সব। আর মানবজীবনের সেই আল্টিমেট কারেন্সিকে আর্ন করা এবং সুখ অর্জনের সায়েন্টিফিক স্কিলগুলোকে যুগান্তকারী মডেলের মাধ্যমে রপ্ত করার উপায় হলো “সুখের সমীকরণ” বইটি।”এই জীবনের সবচেয়ে সুন্দর জিনিসগুলোকে দেখাও যায় না, স্পর্শও করা যায় না, এগুলো অবশ্যই হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয়।” হেলেন কেলারের এই কথা আপনার জীবনে বাস্তবতা পাক “সুখের সমীকরণ’ বইটির মাধ্যমে। পুরো বইয়ের কথাগুলো হৃদয় দিয়ে অনুভব করে শুরু হোক আপনার সুখময় জীবনের শান্তিময় যাত্রা.