যুদ্ধ, লড়াই, সংঘর্ষ—হত্যা, কর্তন, ধ্বংস; এ শব্দগুলোর সাথে আমাদের বহু পুরোনো সম্পর্ক। কেউ যদি বলে ‘এই শব্দগুলো সভ্য সমাজে বড্ড বেমানান।’ উত্তর হবে ‘এই শব্দগুলোর দ্বারাই স্বর্ণালী যুগ তৈরি করেছিলাম আমরা। এই শব্দের ব্যবহার শুধু মাত্র মুসলিম জাতির সাথেই প্রযোজ্য। তারাই অবগত এই শব্দ ব্যবহারের প্রয়োগ সম্পর্কে।’
সুলতান মাহমুদ—গৌরবগাথাঁ শুভ্রোজ্জ্বল চেতনাদীপ্ত কর্মনিষ্ঠ কোনো ইতিহাসের নাম। বলিষ্ঠ এক যুদ্ধা-মানব। সাহসী প্রদীপ। লড়াকু সৈনিক। নিষ্ঠ সেনাপতি। তিনিই ওঠে এসেছেন এই বইটির গল্পের মাঝে। কথার ভাঁজে। উপন্যাস উপমায়। কিছুটা আলাদা আঙ্গিকে।
ইতিহাস যখন সামনে আসবে, কথা বলবে, অধ্যয়ন হবে—এ সমাজ, এ জাতি, এ যুগের সত্যান্বেষীরা তখন বোধগম্য হবেন; জানবেন, শিখবেন, বুঝবেন, বোঝাবেন। অবহিত করবেন মুসলিম যোদ্ধাদের বীরগাথা গৌরবময় কালজয়ী ইতিহাস সম্পর্কে। সেই হারানো ইতিহাস চিত্রায়ন করা হয়েছে গল্পের সাজে। একটু বিশদ বিস্তৃত আঁকারে। উপন্যাস আদলে।
লেখক তরুণ, কিন্তু তুলে এনেছেন ঐতিহাসিক গল্প। সংগ্রাম। রণক্ষেত্র। কাহিনি। আশা করছি তারুণ্যের অহংকার হবে বইটি। উত্তম কিছুর কামনায় এবারের আয়োজন সুলতান মাহমুদ।