সুন্দরবনের সকল জীবের সমাহার থাকবে বইটিতে। বইটি আবার হতে হবে বিজ্ঞানের বই। সেটি নিখুঁতভাবে বিজ্ঞানের তথ্য দিয়ে লেখা এক বিশাল দূরূহ কাজ, সময় দরকার। এর আগে সুন্দরবনের ওপর যেসব লেখা লিখেছি সেগুলো ছিল সাহিত্যধর্মী। এখনকার বইটি হবে বৈজ্ঞানিক তথ্য উপাত্তভিত্তিক গবেষণাধর্মী। দুটোর আঙ্গিক আলাদা। তাই এসব বিবেচনা করে মিলন দাদাকে বলি, দুটি খণ্ডে কাজটি করতে চাই- সুন্দরবনের উদ্ভিদ বৈচিত্র্য ও সুন্দরবনের প্রাণি বৈচিত্র্য। তিনি সানন্দে সম্মত হলেন। এরই ধারাবাহিকতায় লেখার প্রয়াস পেয়েছি 'সুন্দরবনের উদ্ভিদ বৈচিত্র্য' বইটি। বইটিতে বিভিন্ন গবেষকদের গবেষণা তথ্য থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সন্নিবেশ ঘটিয়েছি। এটি মৌলিক কোন বই না, তাঁদের বিভিন্ন তথ্যের সন্নিবেশ। বিজ্ঞানের বইগুলো তো এরকমই হয়, লেখকের মনগড়া তথ্য থাকে না, তবে ভাষা থাকে।