প্রেমিকার রাষ্ট্র হয়ে ওঠা কিংবা দুমুঠো ভাতের গল্পকে কবিতায় নিয়ে আসার যে দম, তা কেউ কেউ পুষে রাখতে জানে। রাষ্ট্রযন্ত্রের নির্দয় নির্যাতনের কষাঘাতে জর্জরিত মানুষের মুখগুলো যখন উন্নয়নের মিহিন সুতোয় সেলাই হয়ে যায়, তখন কেউ কেউ তুমুল চিৎকারে নিজস্ব অস্তিত্বের জানান দেয়। কবিতার সফলতার বিচার করা মূর্খতা, তবে এতটুকু বলতে পারি এখানে কবি তার ভেতরের সমস্ত চিৎকারকে এক করতে চেয়েছেন। এবং এই একীভ‚তকরণে মানুষ কিংবা মিথ অথবা ধর্মীয় কলা কানুন কোন কিছুই বাদ যায়নি। জীবন ও জীবিকার বিরোধ, সমাজ ও সামন্তের দৌরাত্ম্য কিংবা অহেতুক মৃত্যুর গান নিয়ে কবি যখন মনুষ্য সমাজে উপস্থিত হন তখন তাকে উপেক্ষা করা কঠিন হয়ে পরে। স্বীকারোক্তির নির্বাসন দিতে গিয়ে হাওলাদার হাসিব যতটুকু আওয়াজ এখানে দিয়েছেন তা সচেতন পাঠকের কানে পৌঁছাক অন্তত এই প্রত্যাশাটা বাড়াবাড়ি হবে না বলেই বিশ্বাস করি।