বাবরের বাগানে থাকে তাদের একান্ত ব্যক্তিগত ক্লাস।
পানশিরে হয় তাদের শপথ। স্বপ্ন সেই সিজদাতুশ শোকরের।
কেউ হারিয়ে যায়, দায়িত্বের ভারে। কেউ হারিয়ে যায় স্রষ্টার ডাকে। কেউ ডুবে থাকে অমর প্রেমে, আবার ঘুম ভাঙে তার স্রষ্টার টানে।
আবরার ফাহাদ সিরিয়া বিজয়ের আকাঙ্খা নিয়েই নির্মমভাবে শহিদ হয়। বখতিয়ার গালিব আর মাহির আশহাব ফিলিস্তিন ও গাজায় প্রবেশ করে কোনো এক অভিযানে, সেই কবেই নিখোঁজ থাকে।
কাশ্মীরে যাওয়া ফারহান সাদিক, ফাতিমার প্রেমে ডুবে গিয়ে ভুলে যায় তাঁর গুরুদায়িত্বের কথা। প্রতিজ্ঞার প্রশ্নরা বারবার উকি মেরে নিজেকে ভীতুর তকমা দিতে থাকে। নববধুকে বাসরের পূর্বেই বেদনার সাগরে ভাসিয়ে প্রাণের মায়ায় পালাতে হয়।
যেখানে পথের শুরু…সেই আফগানিস্তানে, শরীয়া’হ কায়েমের লক্ষ্যে তালেবানদের সাথে যুক্ত হয়ে আফগানিস্তান জয় করে নেয় তালেবান মুজাহিদ ও মুবাশশির সহ তার সহযোদ্ধারা।
যখন কাবুলে বিজয়ের পতাকা উড়তেছিল, তখন মুবাশশির চিৎকার ধ্বনি দিয়ে বলতে থাকে-
“শহরে, পাহাড়ে কালিমা নিশান নয়তো সেদিন দূরে রুশ, আকসা, ভারত কি চিন!
উড়াবো জগতজুড়ে।”