কোনো এক অন্ধকার সত্তা রাতের আঁধারে একের পর এক যুবতিকে শিকার করে চলেছে। তাদের নিথর, ক্ষতবিক্ষত দেহগুলো ফেলে রাখছে শহরের প্রাণকেন্দ্রে-বিশেষ করে পুলিশ স্টেশনের ঠিক বাইরে বা তার আশপাশে। যেন পুলিশের দিকে ছুড়ে দিচ্ছে এক নীরব চ্যালেঞ্জ-পারলে আমায় ধরো! এই ভয়ংকর রহস্যের জট খুলতে এগিয়ে আসে এক নির্ভীক তরুণী গোয়েন্দা নাম অঞ্জলি রায়। তীক্ষ্ম বুদ্ধি, অদম্য জেদ আর অসম্ভব বিশ্লেষণ ক্ষমতার জন্য বরাবরই পরিচিত ছিল অঞ্জলি। তার স্বপ্ন ছিল পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিমে কাজ করার। কিন্তু প্রথম পোস্টিংয়েই এমন এক ভয়াবহ কেসের মুখোমুখি হতে হবে, তা সে কল্পনাও করেনি কোনো দিন।
রাত তখন প্রায় দুইটা। অঞ্জলি নীরবে তার ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে পড়ল। এগিয়ে গেল একটি বন্ধ কারখানার দিকে। প্রতিটি কক্ষ খুঁটিয়ে দেখতে লাগল সে। হঠাৎ টর্চলাইটের আলোর ঝলকানিতে সে যা দেখল তাতে স্তম্ভিত হয়ে গেল অঞ্জলি। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক দীর্ঘকায় ছায়ামূর্তি। এ রকম রহস্য, উত্তেজনা আর রোমাঞ্চকর ছয়টি গল্প স্থান পেয়েছে সঞ্চারী ভট্টাচার্যের লেখা বইটিতে। শ্যাডো কিলার বইটি একবার হাতে নিলে শেষ না করে রাখা কষ্টকর হয়ে উঠবে।