হঠাৎ-ই অন্ধকার নেমে আসে শিউলির জীবনে। বাবা তার বিয়ে ঠিক করেছেন। অথচ শিউলির তো বিয়ের বয়স হয়নি। সে ক্লাস নাইনে পড়ে। জীবনকে নিয়ে কত কত স্বপ্ন তার। ইশকুল শেষে কলেজে যাবে, কলেজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে। পড়ালেখা করে অনেক অনেক বড় হবে সো কিন্তু বাবার এক সিদ্ধান্তে শিউলির চিরচেনা জগতটা পুরো বদলে যায়। বন্ধ হয়ে যায় তার ইশকুলে যাওয়া। বদ্ধ ঘরের জানালায় দাঁড়িয়ে শিউলি তার চেনা জগতটাকে খোঁজে। তার ইশকুল, ইশকুলের সামনের ছোট্ট বাগান, তার খেলার সাথী আসমা, মিতা, মিন্টু, বকুল, ডালিম, মরিয়ম- কী করছে ওরা? তাদের খয়েরি রঙের বাছুরটাকেও দেখতে ইচ্ছে করে খুব। শিউলি যাকে রতন নামে ডাকে। তার জীবন ছিল রতনের মতোই দুরন্ত। শিউলি কিছু ভাবতে পারে না। তার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। শিউলি ধরে নেয় এভাবেই একটি বদ্ধ ঘর থেকে তাকে চলে যেতে হবে আরেকটি বদ্ধ ঘরে। যার সব আয়োজন শেষ। হঠাৎ... সবকিছু ভেদ করে একরাশ তালির শব্দ পাওয়া যায়। জানালা ছেড়ে দরজায় এসে দাঁড়ায়