সুখের চিলেকোঠা’ নামে দোচালার ছোট্ট একটা কুঁড়েঘর থাকবে। এক চিলতে উঠোন। দখিনের খোলা জানালায় উঁকি দেবে চাঁদ। জ্যোৎস্না চুইয়ে পড়বে উঠোনে৷ শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত ও গ্রীষ্মের পরে আসবে বর্ষা। টিনের চালায় বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে বিভোর হব দু’জন। চাঁদনী রাতে জানালার কাছে বসে তোমার শৈশবের দেওয়া চিরকুটে লেখা প্রেমের কাব্য গুনগুন করব আর তুমি জোৎস্না না দেখে মুগ্ধ চোখে আমায় তাকিয়ে দেখবে। হঠাৎ আমিও কাব্য ছেড়ে তোমার চোখে চোখ রাখব। ডাগর আঁখি দেখব। যেন পলকহীন চলে যাবে অনন্তকাল।