ঘুড়ি
প্রিয় ঘুড়ি,
কেমন আছ? ভালোই থাকবে নিশ্চয়। আমাদের এখানে অনেক তুষার পড়ছে। এই যে আমি তোমাকে লিখছি, এখনো চারপাশ তুষারে সাদা হয়ে আছে। এমনকি জানালার কাঁচও খোলা যাচ্ছে না। আর তোমার ছোটো বোন নিনিতা ব্যাক ইয়ার্ডে তুষার হাতে মুঠ করে নিয়ে গোল গোল করে বল বানিয়ে স্তূপ করার চেষ্টা করছে। আজকে আর লিখলাম না। আমার মনটা বিশেষ ভালো নেই। তোমার দাদাভাই আর দাদিমাকে বোলো না। আমি হয়তো সামনের মাসে দেশে আসব ইনশা আল্লাহ। তাদের জন্য সারপ্রাইজ থাক। বিদায় নিচ্ছি।
—বাবা
ভীতুর ডিম
আমাকে সবাই ভীতুর ডিম ডাকলেও আমি যে একটা সাহসের ডিম এইটা জানে শুধু ডিগবাজী। কেউ যদি খুব ভীতু হয় তাকে সবাই ভীতুর ডিম ডাকে, এইটাই নিয়ম। আচ্ছা ভীতু কী কোন পাখি যে তার ডিম হবে? বড়দের অনেক কথা বার্তাই খুব বোকা বোকা, যদিও বড়রা তা বোঝে না।
সেইদিন আম্মু আমাকে বললেন,
“এই নাভান যা তো রান্নাঘরের বাতিটা নিভিয়ে আয়।”