সে কথা, সেই অপরিসীম ¯েœহ ও কৃতজ্ঞতার ঋণ আমি কী দিয়ে শুধতে পারি? ছোট্ট দুতিন দিনের শিশু কন্যাকে স্পর্শ করতেই ভয়ে কুঁকড়ে যেতাম, কি না কি করে ফেলি। মোস্তফা ভাবী নিজের কাজ ফেলে ছুটে আসতেন, বাচ্চাকে তেল মাখাতেন, গোসল করাতেন, রাতে ছুটে এসে তেল গরম করে হাত পুড়িয়ে নাভি সেঁকতেন তার। এ রকম মানুষকে যদি ভুলে যাই, কাকে মনে রাখব? কামপালার অনেক মানুষের কাছে পেয়েছি ¯েœহ, ভালোবাসা, সহৃদয় সহযোগীতা। ঈমাম ভাই ভাবী, সেলিনা ভাবী, শফি ভাবী এমনকি পাকিস্তানিরাও আমাকে ভালোবেসেছে, সুব্যবহার করেছে। সেদিক থেকে আমরা খুবই ভাগ্যবান। প্রবাসের স্মৃতিময় সোনালি দিনলিপির পৃষ্ঠায় তাই আপনজনের মতো মানুষদের আমি কেবল অঞ্জলি দেই আমার শুদ্ধতম ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা।