উত্তরাঞ্চলের জীবনকে অনুভব করতে চান নয়ন তানবীরুল বারী।বিশেষ করে পঞ্চগড়ের মানুষের জীবনচর্যা ও ভাষা্চর্চাকে তিনি হৃদযে ধারণ করেন।তাই কবিতা লেখার চমৎকার প্রতিভা থাকলেও পঞ্চগড়ের বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি বিশেষ আগ্রহ তাকে টেনে এনেছে সংগ্রহ ও গবেষণা কাজের দিকে।কোনো অঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে যেসব বুলি তাদের রসবোধের পরিচয় দেয় সেগুলোই সময়ের হাত ধরে প্রবচনে রূপ লাভ করে।পঞ্চগড় ও সংলগ্ন অঞ্চলের এসব প্রবচন সংগ্রহ করে নয়ন এগুলো সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।তাকে ধন্যবাদ। প্রবচনের ভাষার গাঁথুনি,বক্তব্য ,চিন্তা স্থানীয হবে সেটাই স্বাভাবিক।সংগৃহিত প্রবচনগুলোর ভাষার গাঁথুনি অনেকক্ষেত্রে দূর্বল আর সেটই তার স্বাভাবিক বৃদ্ধির পরিচয়। ব্যক্তিমানূষ ভাষিক বিষয়ে বিভিন্ন রকম হবেন সেটাই প্রবচনের ভাষার শক্তি।সংগৃহিত প্রবচনগুলোতে সমাজভাবনা,রাজনৈতিক চেতনা,পারিবারিক বিষয়াদি উঠে এসেছে।কোনো কোনো প্রবচনে নারীসহ কিছু বিষয়ে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পরিলক্ষিত হয়েছে।সেটার কারণে সমাজে এসব দৃষ্টিভঙ্গির অবস্থান।সবমিলয়ে পঞ্চগড় অঞ্চলের সাহিত্য তথা বাংলা সাহিত্যের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে বলেই আমার বিশ্বাস। -মণিশঙ্কর দা্শগুপ্ত