মর্ত্য কাছে স্বর্গ যা চায় রাষ্ট্রের কাছে মানুষের প্রত্যাশা কী? খুবই ছোটো কিন্তু সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। রবীন্দ্রনাথ ভেবেছিলেন মর্ত্য কাছে স্বর্গ কী চায়। স্বাভাবিক ধারণা স্বর্গের কাছেই মর্ত্যের চাওয়ার। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ চিন্তা করলেন স্বর্গের কাছে নয় মর্ত্যের কাছেই স্বর্গের চাওয়া নিয়ে। স্বর্গের তো অপূর্ণতা কিছু নেই,সুখ-শান্তি,আনন্দ,অনন্ত পরমায়ু সবই আছে স্বর্গে,শুধু নেই দুঃখ,অশ্রু,ক্রন্দন। তবে কি দুঃখেরও প্রয়োজন আছে? অশ্রুরও? আমৃত্যু দুঃখের তপস্যার কথা রবীন্দ্রনাথই বলেছেন। দুঃখের গান যাকে মধুরতম বলে আখ্যায়িত করা হয় স্বর্গ সেই সংগীত থেকে বঞ্চিত। তার আনন্দের গান আছে দুঃখের গান নেই। স্বর্গ মর্ত্যের কাছে চায় এই দুঃখের গান,এই অশ্রু। রাষ্ট্র মানুষের কাছ থেকে তার সব সুখ অপহরণ করতে চায়,এই পুঁজিবাদী রাষ্ট্র।