ভাওয়াল রাজ্য ও জমিদারীর একতরফা ইতিহাস দখল করে রেখেছে ভাওয়াল রাজাদের কীর্তি-কাহিনী। বিশেষত ভাওয়াল সন্ন্যাসী খ্যাত রণেন্দ্র নারায়ণ রায়ের দার্জিলিংয়ে সপরিবার-সপারিষদ গমন ও কথিত মৃত্যু। পরবর্তীতে তাঁর ঢাকা ও ভাওয়ালে ফিরে আসা। দীর্ঘকাল মামলা লড়ে জমিদারী ফিরে পাওয়া। এই রোমাঞ্চকর ও নাটকীয় কাহিনী নিয়ে পত্রপত্রিকার বহু বছরব্যাপী ব্যতিব্যস্ততা। বিভিন্ন মঞ্চে নাটক মঞ্চায়ন ও একাধিকবার চলচ্চিত্রায়ন।
এসবের আড়ালে এবং গাজীবংশের অবশেষদের অযোগ্যতা ও অকর্মণ্যতায় তাদের গৌরবময় ঐতিহ্যের বহুলাংশই বিস্তৃতির অতলে তলিয়ে যায়। ছিটেফোঁটা বিচ্ছিন্ন কিছু প্রবন্ধ, অগবেষণাপ্রসূত সৃষ্ট গালগল্প, টুকরো-টাকরা বাক্য প্রয়োগ ছাড়া ভাওয়াল গাজীদের কোন সু স্ববদ্ধ ইতিহাস পাওয়া যায় না। এই বংশের কোন গুণীজন কর্তৃক নিজেদের ঐতিহ্য সংরক্ষণের কোন প্রয়াসও লক্ষনীয় নয়। অথচ জাতীয় ইতিহাসের প্রয়োজনেই তা করা প্রয়োজন ছিল।