আমি যে আবার ঢাকা ফিরে আসতে পারব, এটা কখনোই ভাবিনি। সেই ট্রেন জার্নির কথা মনে পড়লে এখানো আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। বমি বমি লাগে। টানা একমাস আমি হাসপাতালে ছিলাম। হাসপাতাল থেকে ফেরার পরও অনেকদিন স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারিনি। চোখ বুঁজলেই মনে পড়ে সেই ট্রেনের কথা, অলিভার কথা। অলিভার না থাকলে বোধ হয় আমি আর ফিরে আসতে পারতাম না। ভূতেরাও যে মানুষের উপর ভর করে, অলিভারকে না দেখলে আমি বিশ্বাস করতাম না। আমার এসব কথা শুনে মিলি একটু নড়েচড়ে বসল। বলল, কফি খাবে? কফি খেতে খেতে গল্প শুনব।
হ্যাঁ খেতে পারি।
মিলি দুই কাপ কফি নিয়ে এল। সাথে পিনাট। এটা মিলির খুব পছন্দ। কফি খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে পিনাট খাবে।
মিলি বলল, অলিভার নামটা তো বিদেশি মনে হচ্ছে। হুঁ, বিদেশি ম্যাম। অলিভার সাথে আমার দ্বিতীয়বার দেখা হয়েছিল ইংল্যান্ডের ন্যাশনাল মিউজিয়ামে।