রবীন্দ্রনাথ দুবার ইংল্যান্ড যান। একবার ১৭ বছর বয়সে, উচ্চশিক্ষার জন্য। আর দ্বিতীয়বার ১৯১২ সালে।
এই সময় পাশ্চাত্যের সাহিত্য, শিল্প, সংগীত, কলা নিয়ে অধ্যয়ন করেন এবং এখান থেকে উপাদান সংগ্রহ করে বাংলা সাহিত্যেও নতুন নতুন রস ও শাখার সৃষ্টি করেন।
ছোটোবেলা থেকেই রবীন্দ্রনাথের স্কুল-কলেজ বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি অনীহা ছিল। জমিদার পরিবারের ছেলেকে লেখাপড়া শেখাতে তাই বাড়িতেই গৃহশিক্ষক রেখে প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি দেওয়া হয়।
তারুণ্যে তাঁর ভালো পড়াশোনার জন্য দাদা সত্যেন্দ্রনাথ প্রস্তাব করেন রবীন্দ্রনাথকে বিলেত পাঠিয়ে দেওয়া হোক। সেখানকার লেখাপড়া হয়তো তাঁর ভালো লাগবে। যেই ভাবা সেই কাজ। মাত্র ১৭ বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ যাত্রা করেন বিলেতের উদ্দেশে।
এ যাত্রার আদ্যোপান্ত অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তিনি বর্ণনা করেছেন তাঁর য়ুরোপ-প্রবাসীর পত্র, য়ুরোপ-যাত্রীর ডায়েরি, জীবনস্মৃতি প্রভৃতি গ্রন্থে। এসব লেখা এতটাই সুখপাঠ্য যে বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ভ্রমণকাহিনিগুলোর অন্যতম হয়ে থাকবে রবীন্দ্রনাথের লেখা য়ুরোপ-প্রবাসীর পত্র।