পরিপার্শ্বের তুমুল হট্টগােলের ভেতর একাকিত্বের উৎক্ষেপণ ছাড়াও অজস্র সাদশ্যবিন্দ নিয়ে এক একটি চিত্রকল্পকাঠামাে- যেখানে রূপ আছে, আবার রূপের ক্ষুধাও আছে। ধ্যান আছে আবার ‘ধ্যানের ভেতর নির্মোহ তাবিজ’ও রয়েছে। ট্রেনলাইনের স্লিপারে স্লিপারে অনিবার্য ঘর্ষণ কিংবা আগুনচক্রের ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে রচিত প্রতিহিংসার ছাই- তা কখনাে প্রেমে কখনাে গীতলতায় উদ্ভাসিত। গােলাম মাের্শেদ চন্দন কবিতাকে জ্যামিতির মতােই সম্পাদ্য কি উপপাদ্য করে তােলেন। দাবি করেন গাছের উপর বসে থাকা পাখিটির একান্ত অভিনিবেশ। চন্দ্ৰফুল আর সূর্যফুলের মাঝখানের ক্যানভাসে কবি রেখে যান তাঁর আঁচড়। এই সরল সম্প্রসারণ মনে করিয়ে দেয় মানুষ ও প্রকৃতির যৌথ কোলাজ।