গোটা জীবনটাই আমার কেটে গেল বুড়ো বটের তলায় বসে বেসুরো বাঁশি বাজিয়ে। অনেকটা হুতম পেঁচার মতন বখত বেতাল একটা জীবন। যার মধ্যে ছন্দ নেই, মাত্রা-যতি নেই, তাল-লয় নেই। শুধুই কেবল অমিল আর ছন্দপতন। রাতে জেগে থাকো, মাঝেমধ্যে কর্কশ গলায় গান গাও, ঘুম ভাঙাও নিদ্রাতুর লোকেদের। আর দিনের বেলা লম্বা দিয়ে ডাকাতে থাক নাক।
শুরুতে ভাবতেও পারিনি, এরকম পেঁচকতুল্য দিনগত পান ক্ষয়ের একটা জীবন হবে আমার। যার চটকদার নাম সাংবাদিকতা, সাংবাদিক-পেশা। বাইরে থেকে মনে হবে, আহা এর চাইতে মহৎ পেশা বুঝি আর কিছু নেই। একটু সমাজ সচেতন যাঁরা তাঁরাই বলেনঃ যদি সমাজটাকে শুধরাতে চাও তবে ছুটে যাও একজন ভাল সাংবাদিকের কাছে। কলম ধরলেই পাল্টে দিতে পারেন তাঁরা বিশ্ব সংসারের চেহারা। রাশ ধরতে পারেন অস্থির রাজনীতির বল্লাহীন ঘোড়ার। কার তোয়াক্কা করেন একজন সাহসী সাংবাদিক?