ভুতুর শুকনো মরিচ পোড়ার গন্ধটা তার ভালো লেগে গেল। ভুতুর মনে হলো—পান্তাভাত আর ডিমভাজির সঙ্গে একটা শুকনো মরিচ কারো জীবন রঙিন করে দিতে পারে। যা ভুতু আগে কখনো বুঝতে পারেনি।
সে মনে মনে বলল, মানুষের মাথায় কী অসাধারণ বুদ্ধি! এত সুন্দর একটা খাবার তারা আবিষ্কার করেছ। তারপরও কিছু মানুষ আছে যারা সারাজীবন অনেক টাকা পয়সার পিছনে ছুটে বেড়ায়, অথচ এই সামান্য খাবারের ভেতরই কত সুখ। আহা এই খাবার খেতে তো মানুষের এত টাকা-পয়সার প্রয়োজন নেই।
তাহলে মানুষ এত টাকা-পয়সা দিয়ে কী করবে? ভুতু মনে মনে ঠিক করে রাখল, ভূতরাজ্যে ফিরে গিয়ে সে একটা পান্তাভাতের হোটেল দেবে। ব্যবসা-ট্যাপসার উদ্দেশে নয়, ভূতদের এমন একটা চমৎকার খাবার গ্রহণ করার অধিকার নিশ্চয়ই আছে। পান্তা ভাত, ডিমভাজি, আর মরিচ পোড়া না-খেয়ে মরে যাওয়ার কোনও মানে হয় না!