১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে লেখকের প্রথম পুস্তক 'মহাজাগতিক বিবর্তন ও সৃষ্টিতত্ত্বের রূপরেখা' প্রকাশিত হয়। সেই পুস্তকে জগতের উদ্ভব ও বিবর্তনধারায় নীহারিকা, নক্ষত্র, গ্রহ-উপগ্রহ, উল্কা ও প্রাণী প্রভৃতি দৃশ্যমান বস্তুর কীভাবে উদ্ভব ঘটে তার বৈজ্ঞানিক ধ্যানধারণা ও ব্যাখ্যা সর্বসাধারণের সমক্ষে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। বিদ্বজ্জন সেই বইটি সাদরে গ্রহণ করেন এবং 'দেশ' পত্রিকার ২০ মে ১৯৭৮ সংখ্যায় বইটির প্রশংসাসূচক সমালোচনাও প্রকাশিত হয়। পুস্তকটির রচনাকালেই মহাকাশবিজ্ঞানের প্রাচীন ধারা সম্বন্ধে তথ্যাবলি সংগৃহীত হয়। কিন্তু তাদের তখন ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি, কারণ 'মহাজাগতিক বিবর্তন ও সৃষ্টিতত্ত্বের রূপরেখা' পুস্তকে যে বিষয়ের আলোচনা করা হয়েছে তার সঙ্গে জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রাচীন ধ্যানধারণার সংযোজন, মূল লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ ছিল না। পরে সেই অব্যবহৃত তথ্যাবলির সঙ্গে বিজ্ঞানের আধুনিক চিন্তা ও চর্চার উদ্ভবের ইতিকথা এবং তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্বন্ধে আহৃত তথ্যাবলির সাহায্যে বর্তমান পুস্তকটি রচনা করা হয়।