আদম সুরত সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না-কী করবে। কাকে জিজ্ঞেস করবে? কার সঙ্গে পরামর্শ করবে? কে ওকে বলে দেবে কোন পথে যাবে? সে ওর শিক্ষকের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারে। কিন্তু সে জানে, ওর জীবনের প্রকৃত শিক্ষক ছিলেন ওর দাদু। তিনিই কেবল সঠিক পথ বাতলে দিতে পারতেন। ওর জীবনের দিশারি তো তিনিই ছিলেন। এমন একটা খবরে দাদুই সবচাইতে বেশি খুশি হতেন। জীবনে যা কিছু সাফল্য সে অর্জন করেছে, ও মনে করে, সবই দাদুর সুবাদে। কিন্তু আজ দাদুভাই বেঁচে নেই। আদম সুরত জানে, ওর জীবনে এমন কোনো প্রাপ্তি নেই যেখানে দাদুর অনুপ্রেরণা আর আশীর্বাদ নেই।