সন্তান মানুষ হবে, আদর্শবান ও সৎ হবে—এই চিন্তায় যেসব বাবা-মা দুশ্চিন্তায় থাকেন, চোখের পানি ফেলেন, তারাই আদর্শ অভিভাবক। লেখক এই বইয়ে এমন সব দাম্পত্য-পারিবারিক বিষয়ের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, যা একসাথে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ও প্যারেন্টিং—দুই ক্ষেত্রেই আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে।
বইটিতে নারী ও পুরুষের কিছু মৌলিক গুণাবলির উপর বিশদ আলোচনা রয়েছে, যা একজন মুসলমানের চারিত্রিক নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে স্ত্রীর দায়িত্ব ও স্বামীর কর্তব্য, একজন মুমিন নারীর জীবনে কী গুণ থাকা উচিত—এসব বিষয়ে কুরআন-হাদীসের আলোকে গভীর ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া এমন কিছু জটিল প্রশ্নের উত্তর এই বইয়ে রয়েছে, যেগুলোর উত্তর সচরাচর মানুষ জানে না—যেমন, বেনামাজি স্ত্রীর গুনাহ কার ওপর বর্তাবে? সুদি লেনদেনে লিপ্ত স্বামীর স্ত্রীর কী করা উচিত? স্ত্রী-সন্তানের হক আদায়ে গাফিলতি হলে করণীয় কী?
নারীদের সামাজিক ভূমিকা, পর্দার বিধান, জন্ম–নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গিও অত্যন্ত সুসংহতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
যাঁরা সংসারজীবনকে ইসলামি আদর্শে গড়ে তুলতে চান, বইটি তাঁদের জন্য জীবন-উপযোগী একটি নির্দেশনামূলক পাথেয়। এটি শুধু একটি পড়ার বই নয়, বরং জীবনের নানা সমস্যার সমাধান খোঁজার একটি নির্ভরযোগ্য প্রেসক্রিপশন।