মার্ডার ইজ ইজি:
ইংল্যান্ডের এক শান্ত গ্রামে, একজন খুনি আঘাত হেনে চলেছে। বারবার…
অফিসার লুক ফিটজউইলিয়াম লন্ডনের ট্রেনে উঠলে তার সঙ্গে দেখা হলো এক অদ্ভুত নারীর। সেই নারীর দাবি: উইচউড নামের শান্ত গ্রামে এক সিরিয়াল কিলার ঘুরে বেড়াচ্ছে। ইতিমধ্যে তিনজনকে হত্যা করেছে, এবং চতুর্থ শিকারও বেঁচে থাকার শেষ প্রান্তে। ফিটজউইলিয়াম তার এই দাবি গুরুত্ব দিল না, উড়িয়ে দিল আজগুবি কল্পনা ভেবে।
কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই নারীকে পাওয়া গেল মৃত অবস্থায়, একটি চলন্ত গাড়ির নিচে পিষে গেছে তার দেহ!
প্রতিটা মৃত্যু দুর্ঘটনা বলে মনে হয়! কিন্তু উইচউডে কিছুই আসলে যেমন দেখায়, তেমন নয়…
দি আন্ডার ডগ অ্যান্ড আদার স্টোরিজ:
দি আন্ডার ডগ
দি প্লিমাউথ এক্সপ্রেস
দি অ্যাফেয়ার অ্যাট দ্য ভিক্টরি বল
দ্য মার্কেট বেজিং মিস্ট্রি
দ্য লেমেজুরিয়ে ইনহ্যারিটেন্স
দ্য কর্নিশ মিস্ট্রি
দ্য কিং অভ ক্লাবস
দ্য সাবমেরিন প্লানস
দ্য অ্যাডভেঞ্চার অভ দ্য ক্ল্যাফাম কুক
ডেথ কামস অ্যাজ দি এন্ড:
মিশর, ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ—যেখানে মৃত্যুই নির্ধারণ করে জীবনের অর্থ!
একটি পাহাড়ের পাদদেশে পড়ে আছে নফরেতের বিকৃত, ভাঙাচোরা দেহ—এক পূজারির উপপত্নী সে; যুবতী, সুন্দরী, অথচ ভয়ংকর বিষাক্ত। বেশিরভাগ মানুষই মনে করে, তার এমন মৃত্যু প্রাপ্য ছিল—বিষাক্ত সাপকে যে এভাবেই মারতে হয়!