সকালে পুব আকাশে লাল থালার মতো সূর্য ওঠে, আবার শেষ বিকেলে পশ্চিম আকাশে লালিমা ছড়িয়ে হারিয়ে যায়। ওই যে পুকুর পাড়ের বড়ো আমগাছে বসে বসে সকাল-বিকাল পাখিরা কলরব করে। আচ্ছা! তাতে কি আমার-আপনার জন্য কোনো চিন্তার খোরাক নেই?সকালের শিশিরভেজা ঘাসের গালিচায় পা রাখলে, মাঠে সোনালি-হলুদ রঙের ধান পেকে বাতাসে ডানে-বাঁয়ে দোল খেয়ে আমাকে-আপনাকে কোনো বার্তা দেয় না?পূর্ণিমার রাত। তারাভরা আকাশ। তারাদের মধ্যমণি হয়ে দুধসাদা আকাশে ডাবের মতো চাঁদ ওঠে। দুধভরা ওই চাঁদের বাটি থেকে দুধ পড়ে পড়ে, জোছনা গলে গলে ফকফক করে এ বিশ্বচরাচর। এই পূর্ণিমার রাতে জোছনা গায়ে মাখতে কার ভালো না লাগে?আড়ালে বসে বসে এতোসব কে করেন? কে তিনি? কী তাঁর পরিচয়? হ্যাঁ, এ বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে সৃষ্টির আলোচনা করে এভাবেই স্রষ্টার পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। আমার, আপনার—আমাদের সবার রবের পরিচয় দেওয়া হয়েছে নতুন আঙ্গিকে, ভাবনার জগতে হারিয়ে গিয়ে।আর বাকি আট অধ্যায়ে ঈমানের রোকন, ঈমানের হাকীকত, তাওহীদের প্রকার, কালিমার বৈশিষ্ট্য, শিরক, কুফর ও নিফাকসহ উল্লিখিত সব বিষয় কুরআন-হাদীসের আলোকে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে।প্রিয় পাঠক!এ বই আপনাকে পড়তে হবে, পড়তেই হবে। এ বইয়ে আপনি খুঁজে পাবেন স্রষ্টার পরিচয়, রবের পরিচয়। আরও জানবেন এমন বহু বিষয়, যা আপনি মুসলমান হিসেবে জানা ফরযে আইন।