বাবার তর্জনী ধরে ভোরের ঘাস-শিশির মেখে হাঁটতে শুরু করে সে। মা, মনীষা, মামুন, শুভ্রা, আইয়ুব, মারিয়ার সঙ্গে সে হেঁটে যায় আর গোটা ইতিহাসসহ ভবিষ্যৎ নিয়ে যায় যেন… রাজাকার, মুজিববাহিনী, রাতবাহিনী, লালবাহিনী, গণবাহিনী, জলপাই-রগকাটা-ঈগল-পেঙ্গুইনবাহিনীও চলতে থাকে সমানতালে ডান-বাম, ডান-বাম…
কিন্তু নদীর তীরে একই পানিতে তো মানুষ দুবার ডুবতে পারে না… মানুষ-তাড়ুয়ারা তার চারপাশে ঘুরঘুর করে, সে হারাধনের সন্তান খুঁজে ফেরে, তথাগত খুঁজে ফেরে… ইতিহাসের পথ ধরে হেঁটে-চলা এই আখ্যানই আমাদের শোনান ইমতিয়ার শামীম।
তথাগতের নিঃস্পৃহ খোঁজাখুঁজি শহরায়নের গদ্য বিস্তার করে, যা জটিলের এপিঠে আর সহজের ওপিঠে কত সহজ আর সরলতায় আকীর্ণ সত্য। ধরা যায়, যেন-বা ছোঁয়াও যায়…
গ্যালিলিও… সক্রেটিস হাঁটতে হাঁটতে হেমলক পান করছেন… তথাগত তখনও একা হেঁটে চলেছে… ধোঁয়া-ওড়া ভাতের স্বপ্ন নিয়ে এই সত্য সে কোথায় লুকায়।
অতঃপর… মানুষ…
যুদ্ধে আমরা তাদের পরাজিত করব, না আমাদের পরাজয়বরণ করা উচিত…
তথাগত হেঁটে চলে..