আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি সম্পর্কে বিশ্ববাসী জানে কিন্তু বিস্ময় কিশোরী আনা ফ্রাঙ্ককে ও তাঁর অজানা আত্মজীবনী যিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন তার চেনা আনা ফ্রাঙ্ককে ক’জন জানে? সেই শ্বাসরুদ্ধকর বিভীষিকাময় ১৩ বছরের একটি কিশোরীর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে থাকা ও মৃত্যুর অনবদ্য তথ্যসমৃদ্ধ ইতিহাস অনেকেরই জানা থাকার কথা নয়। আর্নস্ট শ্ন্যাবেল অতি যতœসহকারে খুঁজে এনেছেন কিশোরী আনা ফ্রাঙ্ককে। এমন সব কথা ও রহস্য সম্বন্ধে আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন যা অনেকেরই অজানা। ‘আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি’ অথবা ডায়েরির আনা ফ্রাঙ্ক-এর খোঁজ রাখেন না,এমন সাহিত্যপাঠক আজকের পৃথিবীতে বিরল বললেও অত্যুক্তি হয় না। আনা ফ্রাঙ্ক নামক আশ্চর্য প্রতিভাময়ী বালিকা এবং সদ্য-কিশোরীটির গল্প-উপন্যাস-স্মৃতিকথার সঙ্গেও এতদিনে অনেকটাই পরিচিত পাঠকমহল। কিন্তু সেইটুকুই তো সব নয়,শেষ নয়! ডায়েরি অথবা গল্প-উপন্যাসের বাইরে যে আনা ফ্রাঙ্ক,তাকে কজন জানে। ফ্রাঙ্ক পরিবার ছিল জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট-অন-মাইন শহরের বাসিন্দা,ধর্মের বিচারে ইহুদি। পরিবারের প্রধান যে মানুষটি,তাঁর নাম অটো ফ্রাঙ্ক। বিয়ে করেছেন এডিথ হল্যান্ডার নামে একটি মেয়েকে। গড়ে উঠছে সংসার,একান্ত নিজস্ব একটি বৃত্ত,যে বৃত্তের বাসিন্দা দুটি নারী-পুরুষ আবিষ্কার করতে শুরু করেছেন জীবনকে,উপলব্ধি করতে শুরু করেছেন জীবন কত সুন্দর। অভিজ্ঞ জনদের ভাষায় শুরু হয়েছে তাঁদের সত্যিকারের জীবন। ফ্রাঙ্ক-দম্পতির এই জীবন-আবিষ্কার নতুন মাত্রা পেল ১৯২৯ সালে,যখন পৃথিবীর আলোয় চোখ মেলল তাঁদের প্রথম সন্তান,একটি কন্যাÑ মারগট। নদী মিশল সাগরে,বাস্তব হলো মোহনার স্বপ্ন। কিন্তু ফ্রাঙ্ক পরিবারের জীবনে তখনও আরেকটি ঘটনা ঘটার অপেক্ষায়,যে ঘটনাটির জন্য আজও সারা দুনিয়ায় উচ্চারিত হয় ফ্রাঙ্ক পরিবারের নাম এবং কলম ধরতে হয় আর্নস্ট শ্ন্যাবেলকে। আপাতদৃষ্টিতে ঘটনাটি নিতান্তই সাধারণ : একটি শিশুর জন্ম,সাগর-নদীর মিলনের আর একটি মোহনা। কিন্তু এই শিশুর জন্ম যে পৃথিবীর জনসংখ্যায় নিছকই একটি সংখ্যা যোগ হওয়ার ঘটনামাত্র ছিল না,তা প্রমাণ করার দায়িত্ব নিয়েছিল পরবর্তী ইতিহাস। এবং আজ তা প্রমাণিত। ১৯২৯ সালের ১২ জুন জন্ম নিয়েছিল ফ্রাঙ্ক দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান আনা ফ্রাঙ্ক। বেঁচে থাকলে আজ তার বয়স ছিয়াশি পেরোত। বেঁচে থাকেনি আনা,বাঁচতে দেওয়া হয়নি তাকে। অথবা বেঁচেই আছে আনা,সব থেকে কাক্সিক্ষত বাঁচা এবং এ-রকম অসংখ্য ছিয়াশি বছর পেরিয়ে বেঁচেই থাকবে সে। ঊনিশশো তিরিশের দশকের জার্মানি। মাথা তুল
| বইয়ের নাম | আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরি |
| লেখক | অ্যানা ফ্রাঙ্ক, ডায়েরি ও চিঠিপত্র সংকলন |
| প্রকাশনী | কলি প্রকাশনী |
| আইএসবিএন | 9789849732020 |
| ভাষা | bangla |
| পৃষ্ঠা সংখ্যা | 450 |
| সংস্করণ | 1st Published, 2023 |
| বিভাগ | Diaries & Letter Collections |
নাবামার্টে অর্ডার, পেমেন্ট, ডেলিভারি ও রিটার্ন সম্পর্কে।
চূড়ান্ত ডেলিভারি চার্জ চেকআউটে দেখানো হয়।