১৮৫৭ সাল। ভারতজুড়ে স্বাধীনতার প্রথম ঝড়। লাহোরের পুলিশ কর্পোরাল আমির খান হয়ে ওঠেন মুজাহিদদের অন্যতম নেতা। দিল্লি, অমৃতসর, পাটনা-সর্বত্র তাঁর নেতৃত্বে বেনিয়াদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা আর শক্তির অসমতায় আন্দোলন ভেঙে পড়লে তিনি ধরা পড়েন এবং চিরকালের জন্য নির্বাসিত হন আন্দামানের মরণদ্বীপে।
সেখানেও তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। কালা পানির নির্যাতন, রোগ-শোক, সাপ-বিছের মাঝেও তাঁর বুকে জ্বলত স্বাধীনতার আগুন। শেষ পর্যন্ত তিনি ব্রিটিশ ভারতের বড়লাট লর্ড মেয়োকে দুঃসাহসিকভাবে আক্রমণ করেন। বন্দিত্বের সবচেয়ে সাহসী প্রতিশোধ স্পৃহায়।
ফরাজী জুলফিকার হায়দারের এই ঐতিহাসিক উপন্যাস শুধু একটি চরিত্রের কাহিনি নয়, এটা একটি জাতির অদম্য চেতনার দলিল। আমাদের সাহসিকতার প্রমাণ, যা আড়াল করা হয় আমাদের থেকে।
লেখকের উত্তরসূরীর সৌজন্যে দীর্ঘদিন অপ্রকাশিত থাকার পর এবার প্রকাশিত হলো এই মহাকাব্যিক উপন্যাসখানা।