সফিকের মাথাটা আজ সামান্য গরম। সে নিজেও বুঝতে পারছে আজ তার শরীরটা ভালো না। তাই সফিক সকাল থেকে গায়ের জামাকাপড় খুলে তার ঘরে দরজা বন্ধ করে বসে আছে। তার খুব ইচ্ছা করছে ঘর থেকে বের হতে। ঘরের মধ্যে প্রচণ্ড গরম। কিন্তু এখন ঘর থেকে বের হওয়া অসম্ভব। তার গায়ে কোনো কাপড় নেই। কাপড় ছাড়া ঘর থেকে বের হলেই তাকে পিটুনি খেতে হবে। তার বাবা বাইরে লাঠি হাতে বসে আছে। কয়েক দিন ধরে সফিক বন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।
কেউ একজন তার বাবাকে বুদ্ধি দিয়েছে পাগলের আসল ওষুধ হচ্ছে মার। যত মারের ওপর রাখবে, পাগল তত সোজা হবে। এর মধ্যে সফিক দুইবার মার খেয়ে ফেলেছে। একবার তার বড় ভাইয়ের হাতে, একবার বাবার হাতে। তাদের ধারণা, সফিক পাগল হয়ে গেছে। সফিকের তা মনে হচ্ছে না। পাগল হওয়া কি এত সোজা। বললাম আর পাগল হয়ে গেলাম। পাগল হওয়ার জন্য সাধনা করতে হয়।