আওয়াজ’ উপন্যাসটির মূল চরিত্র ধ্রুব। যার যাপিত জীবন স্বাভাবিক ছিল না। সে নেক্রোফেলিয়া নামক একটি ভয়ংকর মানসিক রোগে আক্রান্ত। যা একটি বিকৃত যৌনাচার। ছেলেটি প্রথমে মেয়েদের খুন করে পরে মৃত দেহের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয়। তার যাপিত জীবন স্বাভাবিক ছিল না। উপন্যাসের আরেকটি চরিত্র আছে ধ্রুবর মা। যিনি ছিলেন পুরোপুরি সমাজের কাছে জিম্মি। মেয়ে চরিত্রে অনেকেই আছে। অনেকের মাঝে ‘সন্ধ্যা’ মনে দাগ কাটে ধ্রুবর। তাকে ভালোবেসেছিল ধ্রুব। তবে জীবদ্দশায় নয়। সন্ধ্যা ধ্রুবর হাত বুকের বা' পাশে চেপে ধরে বলেছিল, দেখ তুমি কাছে এলে হৃৎপিণ্ডের গতি কেমন বেড়ে যায়! ধ্রুব হাত এক ঝটকায় সরিয়ে বলেছিল, ‘এই শব্দতে যে তোমাকে আমার ভালোবাসতে ইচ্ছে করে না। এটা বন্ধ হলেই তোমাকে আমার বুকে চেপে ধরে রাখবো, ভালোবাসবো!’ অনেকটা সময় ধরে প্রতিধ্বনিত হতে থাকে এই সুর, এই স্বর। এমনই এক সাইকোলজিকাল ডিজঅর্ডার নিয়ে উপন্যাসটি তৈরি হয়েছে যা বইয়ের শুরু থেকে এমন এক ঘোর তৈরি করবে পাঠকদের মনে, সেই ঘোর থাকবে উপন্যাসের শেষ অব্দি।