মন্টুদের বাসার কারেন্ট লাইনটা কেটে দিয়েছে আজ। ধরাধরি করে মন্টুর বাবা কাশেম সাহেব বহু দিন ঠেকিয়ে রেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত আর পারা গেল না। বিকেলের দিকে দুজন লাইনম্যান এসে, লম্বা একটা মই বিপজ্জনকভাবে বেয়ে উঠে খুঁটিতে কী কী যেন করল। তার পর থেকে কারেন্ট নেই।
মন্টুর খুব মেজাজ খারাপ হলো। লাইনটা কেটে দিচ্ছে বলে নয়, এই সময় সে বাসায় আছে বলে। মন্টু খেয়াল করেছে, বাসায় যখন কোনো ঝামেলা হয় তখন সে বাসায় থাকে। সে তো তখন কলেজে থাকতে পারত। কিংবা বিদ্যুৎ অফিসের লোকেরা তো সকালের দিকে আসতে পারত, যখন মন্টু কেমিস্ট্রি প্রাইভেট পড়তে জলিল স্যারের বাসায় যায়। বাবা তখন বাসায় থাকতেন। বড় ভাই বাদলও থাকত। দায়িত্ব চাপত তাদের ঘাড়ে। আর তারা হয়তো কিছু একটা ম্যানেজও করে ফেলতে পারত। ওর বাবা ঘুষ খাওয়ানোতে এক নম্বর ওস্তাদ।