বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া
আবীরের ভেতরে অটিজমের মেঘ দেখে প্রথমে ভয় পেয়েছিল নেহা। পাশাপাশি দেখতে পেয়েছিল সূর্য-সম্ভাবনার আলোও। ভয়কে ভরসায় পরিণত করেছিল সে। নতুন আশায় সে হয়ে উঠেছিল নতুন মানুষ। শুরু হয়েছিল নতুন জীবন। পদে পদে বাধা এসেছিল বিপুল। নেহার চলা থামেনি। স্বামী মারুফ দেখছিল, নেহাকে যত কঠিন দিকে ঠেলে দেয়া হোক না কেন, তার চেয়েও কঠিন এক প্রত্যয় তার আছে।
দৃশ্যের পর দৃশ্য, ঘটনার পর ঘটনা, কাহিনি ও অনুভবের বৃত্ত ভেঙে ভেঙে এ উপন্যাসে আবীর নামের শিশুটিকে ঘিরে আসলে খুলে যেতে থাকে অটিজম নিয়ে অনেক ভুল ধারণার জট। সংকটের সামনে দাঁড়ানো, বাইরে থেকে দেখতে স্বাভাবিক মানুষগুলোও যে কতরকর্মের মনোবৈকল্যে ভরা, সেসব উঠে এসেছে এর নানান বয়ানে।