বইটির প্রথম ফ্ল্যাপ থেকে নেওয়া
দ্রুত বেরিয়ে যায় মণীন্দ্র গৃহকর্ত্রীর ঘরের দিকে। ঘরে ঢুকে দেখে মায়ের খাটের সামনের চেয়ারে বসে এক তন্বী। সুন্দরী বললে কম বলা হয়, তার আগেও একটা বিশেষণ বসার দাবি থেকে যায়। অসাধারণ সুন্দরী। হঠাৎ দেখলে রূপের ছটায় চোখ ঝলসে যাবার অবস্থা হয়। নিজের মনেই বলে মণীন্দ্র অগ্নিশিখা না না বহ্নিশিখা। তার পরই ভাবে কত পতঙ্গ যে এই বহ্নিশিখায় পড়ে মরবে তা কে জানে। সেদিন কি মণীন্দ্র জানত পুড়ে মরা পতঙ্গদের মধ্যে সেও একজন থাকবে। ভবিতব্য বলে তো কথা থাকে, খণ্ডাবে কে?