আমার এ আত্মকথন "বিন্দু-বিসর্গের” একটি ক্ষুদ্র অতীত আছে। শৈশবে ঠাকুমার কাছে রামায়ণ, মহাভারত, বেহুলা-লখিন্দর, বেঙ্গমা-বেঙ্গমী, রাজপুত্র- কোটালপুত্র, পঙ্খীরাজ ঘোড়ার গল্প-আবার কখনও কখনও মহাপুরুষদের জীবনী শুনেছি। আধুনিক দিদিমা বা নানি হিসেবে এক লেপের নিচে শুয়ে নাতি-নাতনিকে গল্প শোনাবার পরিবেশ বা সুযোগ আমার হয়নি। তবুও ইলোরা এবং পার্থকে তাদের শৈশবে খুব কাছে পেয়েছিলাম; এমনকি তারা আমার কাছে মাঝে মধ্যে গল্পও শুনতে চেয়েছে, তখন আমি আমার শৈশবকে তাদের কাছে তুলে ধরেছি। তারপর দীর্ঘদিন কেটে গেছে। সে শিশুরা আজ বর্তমানের তরুণ- তরুণী। আমার কালের সঙ্গে তাদের কালের ব্যবধান আমি উপলব্ধি করলাম কিন্তু আমার কালের সংস্পর্শ তারা পেল না। এ মানস-অনুভূতি থেকেই এই কাহিনি বর্ণনার প্রয়াস।